বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল, গ্রাম অঞ্চলে সব সময় কাঁঠালের চাষ করা হয় শহরের মানুষও এখন ভালো ফল খাওয়ার জন্য তারা নিজেরাই গাছ লাগাচ্ছে

এবং ভালো ফল অনুপাতকে নিজের কাঁঠালের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনদের দিচ্ছে এবং বিক্রিও করতে কেউ কেউ, স্বাস্থ্যকর এবং ভালো ফল খাওয়ার জন্য সবাইকে উচিত নিজের সাধ্যমত ফল গাছ লাগানো, কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল কাঠালে আছে অনেক শক্তি’ কাঁঠাল শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, এর পেছনে চমৎকার কিছু বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যগত কারণ রয়েছে। পুষ্টিবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কাঁঠালের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকর দিন হলো
১ / প্রাকৃতিক শক্তির উৎস কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, এটি শরীরে কোনো ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে শক্তি বা এনার্জি জোগাতে সাহায্য করে।
২ / রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন আছে এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। বিজ্ঞানরা বলে থাকে ভিটামিন সি শরীরের শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে সর্দি, কাশি ও সাধারণ ইনফেকশনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
৩ / হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, কাঁঠালে উচ্চমাত্রার ডায়েটরি ফাইবার বা আঁশ থাকে। এটি আমাদের পরিপাকতন্ত্রকে সচল রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৪ / উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বৈজ্ঞানিকদের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁঠালে থাকা উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়াম বা লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর ফলে হৃদপিণ্ড ভালো থাকে এবং উচ্চ রক্তচাপ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।
৫ / ত্বক ও চোখের সুরক্ষা কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন এ এবং বিটা-ক্যারোটিন। এই উপাদানগুলো চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকে যে বলিরেখা পড়ে, তা প্রতিরোধ করে ত্বক উজ্জ্বল রাখে।
খাওয়ার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিত, কাঁঠাল যেহেতু কার্বোহাইড্রেট তাই কিছুটা বেশি খেলে সমস্যা হতে পারে, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।